শুক্রবার, ৪ আগস্ট, ২০১৭

নিয়মিত অ্যালোভেরার রস পানের উপকারিতা

১। হার্ট সুস্থ রাখতে
আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ
 অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে
অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।
 
৪। ওজন হ্রাস করতে
ওজন কমাতে অ্যালভেরা জুস বেশ কার্যকরী। ক্রনিক প্রদাহের কারণে শরীরে মেদ জমে। অ্যালোভেরা জুসের অ্যাণ্টি ইনফ্লামেনটরী উপাদান এই প্রদাহ রোধ করে ওজন হ্রাস করে থাকে। পুষ্টিবিদগণ এই সকল কারণে ডায়েট লিস্টে অ্যালোভেরা জুস রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

৫। হজমশক্তি বাড়াতে
হজমশক্তি বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরা জুসের জুড়ি নেই। এটি অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করে অন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া রোধ করে। যা হজমশক্তি বাড়িয়ে থাকে।

৬। ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে
অ্যালোভেরা জুস রক্তে সুগারের পরিমাণ ঠিক রাখে এবং দেহে রক্ত সঞ্চালন বজায় রাখে। ডায়াবেটিসের শুরুর দিকে নিয়মিত এর জুস খাওয়া গেলে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব। খাওয়ার আগে বা খাওয়ার পরে নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস পান করুন।

৭। ত্বকের যত্নে
ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরার ব্যবহার সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। এর অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরী উপাদান ত্বকের ইনফেকশন দূর করে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দেয়।

বৃহস্পতিবার, ৩ আগস্ট, ২০১৭

ঘরোয়া উপায়েই নাক বন্ধ দূর করুন

১। গরম ভাপ নিন
একটি গামলায় গরম পানি নিন এবং এতে কিছুটা কর্পূর মিশিয়ে নিন। আপনার মুখ এর উপরে রেখে একটি বড় ও মোটা তোয়ালে দিয়ে মাথা ও পানি সহ গামলাটি ঢেকে দিন যাতে গরম পানির ভাপটা সরাসরি আপনার নাকে যায়। গরম পানির তাপমাত্রাটা এমন হতে হবে যেন আপনার ত্বকের জন্য সহনীয় হয়।এবার শ্বাস নিন।এভাবে কিছুক্ষণ শ্বাস নিলে গরম বাতাস নাকের ভিতরের শ্লেষ্মাকে গলে বের হয়ে যেতে সাহায্য করে।গরম পানি দিয়ে গোসল করলেও একই রকম উপকার পাওয়া যাবে।

২। বেশী বেশী তরল খাবার খান
পানি, জুস, সূপ ইত্যাদি তরল খাবার বার বার খেলে নাকের ভেতরে শ্লেষ্মাকে পাতলা করে, সাইনাসের উপর চাপ কমে এবং চাপ কমা মানে প্রদাহ ও যন্ত্রণা কমা। নাক বন্ধের সাথে যদি গলা ব্যথা ও থাকে তাহলে গরম চা ও গরম সূপ খেলে ব্যথা কমবে।
 
৩। কালোজিরার ঘ্রাণ নিন
একটা ছোট রুমালে কিছু কালোজিরা নিয়ে ছোট্ট পুঁটুলি তৈরি করুন। পুঁটুলিটা হাতের তালুতে নিয়ে কিছুক্ষণ ঘষে গরম করে নিন। তারপর এটা নাকের কাছে নিয়ে শ্বাস নিন।কালজিরার তীব্র গন্ধ নাক পরিষ্কার করতে সাহায্য করবে।

টিপস-
১। ঘুমানোর সময় মাথা যথাসম্ভব উঁচু বালিশে রেখে ঘুমান।
২। যতবার প্রয়োজন হয় নাক পরিস্কার করে ফেলুন এবং এর জন্য হাতের কাছেই টিস্যু রাখুন।
৩। গন্ধহীন টিস্যু ব্যবহার করুন
৪। মসলা যুক্ত খাবার বর্জন করুন।
৫। স্যালাইন স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন।
যদি উল্লেখিত পদ্ধতিগুলো অনুসরণের পর ও নাক বন্ধ ভালো না হয় তাহলে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

বুধবার, ২ আগস্ট, ২০১৭

ক্যালোরি পোড়াতে সকালে করুন ৫টি কাজ

১) এক্সারসাইজ করুন
ব্যায়ামের উপকারিতার কথা বলাই বাহুল্য। সকাল সকাল ব্যায়াম করে দিন শুরু করলে শরীরটা জেগে ওঠে। এটা মেটাবলিজম বাড়াতেও কাজে আসে। গবেষণায় দেখা যায়, দিনের অন্য কোনো সময়ের চাইতে সকালে ব্যায়াম করলে বেশি ক্যালোরি বার্ন হয়। সকালটা ব্যায়াম দিয়ে শুরু করলে সারাদিনই স্বাস্থ্যকর কাজগুলো করার দিকে আপনার মনোযোগ থাকবে। তবে কম ঘুমিয়ে সকালে উঠে ব্যায়াম করতে হলে উপকারের বদলে ক্ষতিই হবে। তাই ঘুমের কথা মাথায় রাখুন।

২) করুন ইনটেনসিভ ব্যায়াম
সকালে যাদের ব্যায়াম করার সময় বের করাই কষ্ট, তাহের জন্য সুখবর। মাত্র আড়াই মিনিটের ইনটেনসিভ ব্যায়াম করলে এর প্রভাব সারাদিন থেকে যায়। মোটামুটি ২০০ ক্যালোরি পোড়াতে তা সাহায্য করতে পারে। দেখে নিতে পারেন Popsugar এর ছোট্ট অথচ ইনটেনসিভ ১০টি ব্যায়াম।

৩) সকালের নাশতা করুন
নাশতা কোনোভাবেই বাদ দেওয়া যাবে না। ঘুম থেকে ওঠার পর দেরি না করে নাশতা করলে আমাদের শরীর ক্যালোরি পোড়ানোর জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়।

৪) দুপুরের আগে খান হালকা খাবার
ওজন ঠিকই রাখার জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার দিয়ে ১১টার দিকে নাশতা করাটা ভালো। তবে স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে অবশ্যই। খেতে পারেন এমন কোন স্ন্যাক্স যা মেদ পোড়াতে সক্ষম।

মঙ্গলবার, ১ আগস্ট, ২০১৭

স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে যে কাজগুলো করবেন

১) ব্যবহার করুন সঠিক মাপের ব্রা
আরামদায়ক এবং স্বাস্থ্যকর ব্রা ব্যবহার করুন এবং অবশ্যই সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার করুন। সময়ের সাথে ব্রা সাইজ চেঞ্জ হতে পারে এ কারণে এক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরী।

২) মাঝে মাঝে ব্রা ছাড়াই থাকুন
বাড়িতে ব্রা ছাড়াই থাকার চেষ্টা করুন। এতে আপনার শরীর অনেকটা শান্তি পাবে। মাঝে মাঝে স্পোর্টস ব্রা পরেও থাকতে পারেন।

৩) মাসাজ করুন
শুধু হাত-পা নয়, রক্ত চলাচল বজায় রাখতে মাঝে মাঝে স্তন মাসাজ করতে পারেন।

৪) নিজে থেকেই পরীক্ষা করুন
নিজের স্তন নিজে পরীক্ষা করলে ক্ষতি কোথায়? কোনো রোগ আপনার স্তনে বাসা বেঁধেছে কিনা তা জানতে মাঝে মাঝে স্তন পরীক্ষা করুন নিজেই। স্তনে কোনো রকম পরিবর্তন দেখতে পেলে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে কথা বলুন।

৫) স্বাস্থ্যকর খাবার খান
মধ্যবয়সে মেটাবলিজম ধীর হয়ে যায়। এ সময় থেকেই বেশি করে ফলমূল এবং শাকসবজি খাওয়া উচিৎ। এতে সারা শরীরের পাশাপাশি আপনার স্তন থাকবে সুস্থ।

৬) ময়েশ্চারাইজিং
সারা শরীরের ত্বকের মতো স্তনের ত্বকেও পড়তে পারে বয়সের ছাপ, বলিরেখা এবং কুঞ্চন। এ কারণে নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করাটা জরুরী।
৭) ধূমপান নিষিদ্ধ
খুব কম সময়েই আমাদের বয়স বাড়িয়ে দিতে পারে ধূমপান। এর পাশাপাশি স্তন ঝুলে যাবার কারণও হয়ে দাঁড়াতে পারে ধূমপান। সুতরাং নিজের শরীর ভালো রাখতেই বাদ দিন এই বিশ্রী অভ্যাসটি। কমিয়ে ফেলুন ক্যাফেইন এবং অ্যালকোহল গ্রহণের মাত্রাও।

৮) ব্যায়াম করুন
বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরকে ফিট রাখতে করুন ব্যায়াম। স্তনের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য করতে পারেন এই ব্যায়ামগুলো। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখলে কমে যাবে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি।

৯) ম্যামোগ্রাম
একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর স্তন সংক্রান্ত রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। ডাক্তারের সাথে কথা বলে বার্ষিক স্তন পরীক্ষা বা ম্যামোগ্রাম করান যাতে কোনো রোগ থাকলে তা শনাক্ত করা যায় দ্রুত। তবে পারিবারিক ইতিহাস না থাকলে ম্যামোগ্রাম না করিয়ে সাধারণ ডাক্তারি পরীক্ষা করাতে পারেন।

১০) থাকুন ইমপ্ল্যান্ট এবং কেমিক্যাল থেকে দূরে
ব্রেস্ট ইমপ্ল্যান্ট এবং এনহান্সিং কেমিক্যালগুলো আপনার সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্যই ভীষণ ঝুকিপুর্ণ। এগুলো থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকুন।

১১) ব্রেস্ট ফিডিং করান
আপনি মা হয়ে থাকলে অবশ্যই বাচ্চাকে সঠিক উপায়ে ব্রেস্ট ফিডিং করান। তা আপনার স্তনের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করবে।

১২) ঝুঁকির ব্যাপারে জেনে রাখুন
আপনার পারিবারিক ইতিহাসে কারও ব্রেস্ট ক্যান্সার আছে কিনা তা জানা থাকলে নিজের ঝুঁকির ব্যাপারেও আপনি সতর্ক থাকতে পারবেন।